
মোঃ আবু সুফিয়ান পারভেজ, ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার উদ্যমী সংগঠন Movement for Punctuality আয়োজিত এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়
আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে।
আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান ও সময় ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর নাহিদ হাসান প্রিন্স।
সময়নিষ্ঠতা ও জীবন গঠনের ওপর উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক মোঃ খোরশেদ আলম লিমন।
এসএসসি পরবর্তী প্রস্তুতি ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনার বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন মিমতাউল ইসলাম মাহিন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল “Turning Point of Education” শীর্ষক মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন।
এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মোজাহার উল আলম, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সময় ব্যবস্থাপনা, লক্ষ্য নির্ধারণ ও শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়ে বাস্তবমুখী আলোচনা করেন।
সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রফেসর ডাঃ মিফতাউল ইসলাম মিলন, রোটা. অধ্যাপক, টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ, বগুড়া।
অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ আমিনুল ইসলাম মন্ডল, অধ্যক্ষ, মইদাম মহাবিদ্যালয় এবং মোঃ দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষক, জয়মনিরহাট বালিকা বিদ্যালয়।
শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাদমান হাবিব, উপজেলা প্রশাসন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আয়শা সিদ্দিকা, থানাঘাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
অনুষ্ঠানে আরও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন কাজী গোলাম মোস্তফা, সাবেক সহকারী অধ্যাপক, ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ; লিয়াকত আলী, সভাপতি, কাডা’ আরো বক্তব্য রাখেন বাবুল আক্তার, অধ্যক্ষ, সোনাহাট ডিগ্রী মহাবিদ্যালয় আজিজুর রহমান স্বপন, সাবেক অধ্যক্ষ, ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ এবং জহুরুল ইসলাম প্রামানিক, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন ফখরুজ্জামান জেট, সভাপতি, ভূরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটি।
অনুষ্ঠানে ছিল কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও স্মারক প্রদান, সময় ব্যবস্থাপনা ও ক্যারিয়ার বিষয়ে বিশেষ সেশন, অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য, অভিভাবক-শিক্ষার্থী মতবিনিময়, ফটোসেশন ও মিডিয়া কাভারেজ।
শিক্ষার্থীদের মতে, এমন আয়োজন তাদের মধ্যে সময়নিষ্ঠ জীবন গঠনের বাস্তব ধারণা দিয়েছে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ইতিবাচক অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
তরুণ প্রজন্মকে সুশৃঙ্খল, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মত দেন অভিভাবক ও অতিথিবৃন্দ।
