আবুল কালাম আজাদ ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় বাবা ও তার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৩ এপ্রিল ২৫) দুপুরে উপজেলার নাওগাঁও দক্ষিণপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- হযরত আলীর ছেলে আব্দুল গফুর (৪০) এবং তার ছেলে মেহেদী হাসান (১৫)।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল গফুর ও তার ছেলের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও চুরির অভিযোগ উঠেছে। এতে গ্রামবাসীসহ নিজ গোষ্ঠীর লোকজনও ক্ষুব্ধ ছিলেন। কয়েকদিন ধরেই এ বিষয়ে শালিস হওয়ার কথা ছিল। পরে আজ দুপুরে গফুরের বাড়ি সংলগ্ন নাওগাঁও হোসেনীয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসার সামনে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে শালিস বসায়। কিন্তু অভিযুক্তরা শালিসে না এসে নিজ ঘরে রামদা নিয়ে অবস্থান নেন। পরে শালিসকারীরা তাদের খুঁজতে গেলে গফুর ঘর থেকে দা হাতে বেরিয়ে আসেন। এরপর উত্তেজিত জনতা তাকে ও তার ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে।
এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রোকনুজ্জামান বলেন, গ্রাম্য শালিস থেকে ফিরে কিছু মানুষ এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হয়।ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন পলাশীহাটা গ্রামের মো. রিপন (৩২), নাওগাঁও গ্রামের মৃত সাবান আলীর ছেলে মো. মোজাম্মেল হক (৬৫) ও এক কিশোর (১৩)।
এদিকে, নিহতদের স্ত্রী ও মা শিল্পি আক্তার অভিযোগ করেন, শত শত মানুষ পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামী ও ছেলেকে হত্যা করেছে। আইন থাকতেও এভাবে নৃশংসভাবে কেন খুন করা হলো?
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে গ্রামটি। অনেকেই মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে আছেন।
এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
