
নির্বাচনী প্রচারের তৃতীয় দিন তিনি রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন।এরআগে এদিন ভোর থেকেই জেলা ছাড়াও এ অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা হতে খন্ড খন্ড মিছিলের ঢল নামে জনসভা -স্থলে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।কানায় কানায় পূর্ণ হয় বিশাল মাঠ।এছাড়া সভাস্থলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় পলাশবাড়ী পৌরশহরের সর্বস্তরের জনমানুষ মাইকে প্রধান অতিথির বক্তব্য শোনার জন্য শহরের অসংখ্য পয়েন্টে অবস্থান নেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চুরির কালো টাকা ফিরিয়ে নিয়ে আসলে এবং এখনও যারা চুরি করছে তাদের হাত অবশ করে দিলেই এই অবহেলিত উত্তরাঞ্চল অনায়াসে উন্নতি লাভ করবে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ্।আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই-যেখানে ধর্মে-ধর্মে কোন সংঘাত সৃষ্টি হবে না। আমি এসেছি মন্দসব পিছনে ফেলে সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নেয়ার কথা বলতে আমি এসেছি অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নকে তরান্বিত করার কথা বলতে। তিনি বলেন, আমরা কোন চাঁদাবাজি করতে দিব না। চাঁদাবাজিদের হাতকে কর্মের হাতে রূপান্তর করবো। তাদের মন্দ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। সারা বাংলাদেশের খাদ্য শস্যের তিন ভাগের এক ভাগ যোগান দেয় উত্তরাঞ্চল। এই জেলাগুলোতে কৃষি ভিত্তিক শিল্প- কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। গাইবান্ধার বালাসী- বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

আমীরে জামায়াত স্বাস্থ্য শিক্ষা নিয়ে আরো বলেন, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য এ জেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সাথে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তিনি নারীদের ব্যাপারে বলেন, তারা মায়ের জাত। তাদের কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির সবধরনের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা তাদের জন্য একসাথে বাসা- অফিসসহ সবক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবো। আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই। তিনি আরো বলেন,আমরা লাল চক্ষুকে ভয় পাইনা। কোন আধিপত্যবাদ সহ্য করবো না। সকল দেশ এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক হবে সম্মানের এবং সুদৃঢ়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার রাজনৈতিক সেক্রেটারী গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর- পলাশবাড়ী) নির্বাচনি আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ (অব.) মাও. নজরুল ইসলাম লেবু’র সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাও.জহুরুল হক সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাও. আবদুল হালিম ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী সিবগাতুল্লাহ সিবগা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আমীর মো.আব্দুল করিম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের প্রার্থী ডা.আব্দুর রহিম সরকার, গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের প্রার্থী জেলা সিনিয়র নায়েবে আমীর বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ এবং গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোজাহিদ ফয়সাল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান, মো.ফয়সাল কবির রানা, ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুমান,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি নুরুন্নবী প্রধান, জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা শহর শাখার আমীর অধ্যাপক ফেরদৌস আলম ছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা শাখার সভাপতি মাও. আব্দুল হানিফ,জেলা এলডিপি'র সভাপতি শরিফুল ইসলাম, জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহবায়ক রাশিদুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা সদর উপজেলা আমীর মাও. নুরুল ইসলাম মন্ডল, গোবিন্দগঞ্জের আমীর আবুল হোসাইন মাস্টার, সাদুল্লাপুরের আমীর এরশাদুল হক ইমন, সাঘাটার আমীর মাও. ইব্রাহিম হোসাইন ও ফুলছড়ির আমীর মাও. সিরাজুল ইসলাম।সমাবেশে ১০ দলীয় ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দসহ গাইবান্ধা জেলার ৭টি উপজেলার দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রফিকুল ইসলাম লাভলু। উপদেষ্টা : প্রবাসী সুমন চন্দ্র। নির্বাহী সম্পাদক মোঃ তাজরুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান মানছুর। ঢাকা অফিস : আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
যোগাযোগের ঠিকানা:-পীরগাছা, রংপুর। বার্তা কার্যালয়ঃ পাইকগাছা, খুলনা। মোবাইল: ০১৭১৭-৪৬৫০১০ ( সম্পাদক), ০১৭২৮-১০৩৫০৭ (নির্বাহী সম্পাদক
All rights reserved © 2025