
মো:ফেরদৌস আলম জাহির খান ,জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : ইরান-ইসরাইল উত্তজনা ও যুদ্ধের দামামায় বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বেশ উত্তপ্ত। এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেই চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ৫টি জ্বালানি পণ্যবাহী বিশাল জাহাজ এবং পাইপলাইনে রয়েছে আরও ৩টি জাহাজ। আজ রবিবার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ মেট্রিক টন এলপিজি নিয়ে বন্দরে ভিড়ছে ‘এলপিজি সেভেন’।
বন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, এই মোট ৮টি জাহাজের সবগুলোই গত ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্সির দায়িত্বে রয়েছে ইউনিগ্লোবাল, ইউনিক মেরিটাইম ও মিউচুয়াল শিপিং।
বন্দরে আসা ও আসার অপেক্ষায় থাকা জাহাজের তালিকা: জাহাজের নাম পণ্যের ধরন পরিমাণ (মেট্রিক টন) আসার তারিখ/সময় জি-ওয়াইএমএন এলপিজি (ওমান) ১৯,৩১৬ ২৬ ফেব্রুয়ারি (পৌঁছেছে) আল জোরা এলএনজি (কাতার) ৬৩,৩৮৩ ৩ মার্চ (পৌঁছেছে) আল জাস্সাসিয়া এলএনজি (কাতার) ৬৩,০৭৫ ৫ মার্চ (পৌঁছেছে) বে-ইয়াসু ইথানল গ্যাস (ইউএই) ৫,০১৯ ৫ মার্চ (পৌঁছেছে) এলপিজি সেভেন এলপিজি (ওমান) ২২,১৭২ ৮ মার্চ, দুপুর ২টা লুসাইল এলএনজি (কাতার) ৬২,৯৮৭ ৯ মার্চ (সম্ভাব্য) আল গালায়েল এলএনজি (কাতার) ৫৭,৬৬৫ ১১ মার্চ (সম্ভাব্য) লেব্রেথাহ এলএনজি (কাতার) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, আন্তর্জাতিক এই সংকটের মধ্যেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই জাহাজগুলোর সফল আগমন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। কাতার, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে আসা এই গ্যাস ও কেমিক্যাল শিল্প ও গৃহস্থালির চাহিদা মেটাতে বড় ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে শিডিউল মেনে বড় জাহাজগুলোর চট্টগ্রামে পৌঁছানোকে স্বস্তির খবর হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
