
মাগুরা প্রতিনিধি
আদালতের আদেশ অমান্য করে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ধুপুরিয়া গ্রামের ইখলাস শেখের বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী লুৎফর রহমান শিকদারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইখলাস শেখের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর লুৎফর রহমান শিকদারের নেতৃত্বে স্থানীয় কৃষকদলের কয়েকজন নেতাসহ গোলাম রহমান শিকদার, জিয়া শিকদার, তানভির রহমান শিকদার এবং হেলমেট পরিহিত ২৫ থেকে ৩০ জন মিলে রামদা, ছ্যানদা, শাবল, লাঠিশোটা, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ইখলাস শেখের ১টি বসতঘর, ১টি রান্নাঘর, ১টি গোয়ালঘর ভাংচুর ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে। বসবাসের কোন পরিবেশ না থাকায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে ওই পরিবারটি।
ইখলাস শেখ জানান, ৮২নং ধুপুরিয়া মৌজার ২২ এর ১ নং খতিয়ানের ৩০২ নং দাগে মোট ৪৬ শতাংশ জমির মধ্যে ২৬ শতক বসতবাড়ির জমি নিয়ে ঝামেলা চলে আসছে। জমিটি দলিল মূল্যে ক্রয়কৃত সম্পত্তি। প্রায় ২ বছর ধরে এ জমি আমার ভোগদখলে এবং সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি।
লুৎফর রহমান শিকদার জোরপূর্বক উক্ত সম্পত্তি দখল করতে চায়। তাই তিনি আদালতে মিস পিটিশনের মামলা করলে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আদালত ১৪৪ ধারা জারি করে। তিনি আরো বলেন, লুৎফর রহমান শিকদার ও তার লোকজন আদালতের নিয়ম না মেনে আমার বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও আমাদের উপর হামলা চালায়। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ইখলাস শেখের সাথে লুৎফর রহমান শিকদারের জমি নিয়ে ঝামেলা চলে আসছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর লুৎফর রহমান শিকদার ও তার অনেক লোকজন নিয়ে ইখলাস শেখের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
এ বিষয়ে লুৎফর রহমান শিকদার বলেন, আমি বাড়িঘরে হামলার বিষয়ে কিছুই জানিনা, ঐ সম্পত্তি আমাদের। ইখলাস শেখ জোর করে সম্পত্তি ভোগদখল করতে চায়।
এ বিষয়ে মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
