
এম আর সোহেল স্টাফ রিপোর্টার: কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার মানুষের জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। স্থানীয়দের মতে, দল-মত নির্বিশেষে যেকোনো ভৈরববাসী কক্সবাজার গেলে তার আন্তরিক আতিথ্য ও সহযোগিতার সাক্ষী হন। বহু ভৈরববাসী এই গর্বের মানুষটির সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা থেকে জানাচ্ছেন, তিনি শুধু দায়িত্ববান পুলিশ কর্মকর্তা নন, মানুষের প্রতি তার উদারতা ও আন্তরিকতা তাঁকে ভিন্ন মাত্রার প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র দেয়।
ভৈরব পৌর বিএনপির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফারুক আহমেদ সম্প্রতি এক সামাজিক পোস্টে ভৈরববাসীর কাছে বিনীতভাবে আবেদন করেছেন, “ভৈরবের সবাই যেন আপেল মাহমুদ সাহেবের পাশে থাকে, যাতে কোনো প্রকার অপপ্রচার বা ভুল ধারণা গড়ে উঠতে না পারে।”
কক্সবাজারে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযান ও সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ নিয়ে কিছু কাগজে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ট্যুরিস্ট পুলিশ “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যায়িত করেছে। সূত্রের খবর, অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ দায়িত্ব নেয়ার পর সৈকতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, পর্যটক নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ স্থাপনা অপসারণে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সৈকতের কিছু অংশে অবৈধ দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের কারণে পর্যটকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছিল। অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ কর্তৃক অভিযান শুরু হওয়ায় পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ী উভয়ই উপকৃত হয়েছেন।”
সামাজিক মাধ্যমে উঠা অভিযোগ ও বিতর্ককে গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “যে কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে এবং প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে না।” আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের ক্ষেত্রে মানহানি ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত আইন প্রযোজ্য হতে পারে।
ভৈরববাসী ও পর্যটকরা এই অভিযানের পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছেন। এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “সমুদ্র সৈকত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। অবৈধ দখলমুক্ত হলে পর্যটক ও স্থানীয়রা উভয়ই উপকৃত হবেন। তবে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত।”
উপমা হিসেবে বলা যায়, কক্সবাজারের সৈকত যেন এক সোনালী প্রান্তর, যেখানে পর্যটক ও স্থানীয়রা মিলিত হয় শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য। এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সেই প্রান্তরের রক্ষাকবচ, যার সাহস ও মানবিকতা উভয়ই সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো দৃঢ়।
ভৈরববাসী, যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গর্বের মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে, তারা আপেল মাহমুদের পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণ একসাথে কাজ করলে কক্সবাজারের সৈকত অবৈধ দখলমুক্ত, পর্যটকবান্ধব এবং আন্তর্জাতিক মানের নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে গড়ে উঠতে পারে
