
নাসিরুল ইসলাম শ্রীপুর (মাগুরা)
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মহেশপুর গ্রামের সিমু খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগ সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। এসময় একই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। শনিবার দুপুরে শ্রীপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
মহেশপুর গ্রামের ভুক্তভোগী নারী সিমু খাতুন বলেন, মহেশপুর গ্রামের নাজমা খাতুন জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া স্ট্যাম্প বানিয়ে আমার নামে ১০ লাখ টাকার মামলা করে। এবং সে স্ট্যাম্প কামাল মৃধার কাছে গচ্ছিত রাখে। কামাল মৃধা কিছু টাকার বিনিময়ে সেই স্ট্যাম্প নাজমার কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে আমার ও আমার স্বামী কামাল মৃধার নামে ২৫ লাখ টাকার মামলা করে। আর এসব ঘটনার সাথে দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদিপ ভাইয়ের কোন সম্পৃক্ততা নেয়।
দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদিপ বলেন, ২ বছর আগে শীতের সময় জমিজমা সংক্রান্ত নাজমা খাতুন ও তাদের পারিবারিক একটি একটা সালিশ হয়। সেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালিশটি মিমাংসা হয়। ওই টাকাটা আমার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনের কাছে গচ্ছিত রাখি। আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার একটা ভিডিও ফেসবুক দেখলাম। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেছেন, আমি না কি তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আমি কোন অবৈধ কাজ কামের সাথে জড়িত না। আমার বিরুদ্ধে তিনি যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
